Recent News
প্রকৃতিকন্যা সিলেট

প্রকৃতিকন্যা সিলেট

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের তীর্থভূমি সিলেট। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেট। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই প্রাচীন জনপদ বনজ, খনিজ ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও সিলেটের রয়েছে প্রসিদ্ধ ইতিহাস। সিলেটে বসবাসকারী বিভিন্ন আদিবাসীর রয়েছে…

সেন্টমার্টিনে কাজ হারাবে তিন লক্ষাধিক মানুষ

সেন্টমার্টিনে কাজ হারাবে তিন লক্ষাধিক মানুষ

বিশ্বখ্যাত প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিতকরণ, রাতযাপন নিষিদ্ধকরণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে কর্মহীন হয়ে পড়বে স্থানীয় বাসিন্দাসহ তিন লক্ষাধিক মানুষ। দ্বীপের মানুষগুলো পুরনো পেশায় ফিরতে গেলে বাড়বে অপরাধপ্রবণতা। কর্মসংস্থান হারাবে পর্যটনশিল্পে নিয়োজিত লক্ষাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। ঝুঁকিতে পড়বে বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। তাই…

নিষেধাজ্ঞা মানছে না পর্যটকরা

নিষেধাজ্ঞা মানছে না পর্যটকরা

মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও ইকো পার্কে প্রবেশে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও প্রতিদিন বিনোদনপ্রেমীদের উপচেপড়া ভিড় জমছে। পর্যটন পুলিশ ও স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো বাধাই মানছেন না দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকরা। প্রধান ফটক তালাবদ্ধ থাকে। কিন্তু ভিন্নপথে ঠিকই জলপ্রপাতে যাচ্ছে শত শত পর্যটক। আর তাদের…

সৌদিকে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর অনুরোধ

সৌদিকে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর অনুরোধ

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে আটকে পড়া বাংলাদেশী প্রবাসীদের ফেরত যাওয়ার সুবিধার্থে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবকে অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি গতকাল সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে ফোনালাপে এ অনুরোধ করেন। ড. মোমেন আকামার মেয়াদ বৃদ্ধি ও ভিসা প্রদানে সৌদি আরবের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ফ্লাইট চলাচলে অনুমতি দেয়ায় সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে দাম্মাম রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি প্রদানের জন্য সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বর্তমানে রিয়াদ, মদিনা ও জেদ্দায় বাংলাদেশ বিমানকে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এর আগে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় প্রবাসী বাংলাদেশীরা নিজ কর্মে যোগ দেয়ার জন্য সৌদি আরবে ফিরে যেতে পারছিলেন না। সৌদি আরব সরকার বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছিল। এর জেরে বাংলাদেশও সৌদি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দেয়। অনিশ্চয়তার মুখে বাংলাদেশে আসা সৌদি প্রবাসীরা বিক্ষোভ করলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রবাসীদের সুবিধার্থে সৌদি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেয় বাংলাদেশ। একই দিন বিমানকেও ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে ভিসার মেয়াদ যাদের শেষ হয়ে গেছে, তারা ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার সৌদি দূতাবাসে গিয়ে মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারছেন। আর চলতি আরবি মাসের ২৪ দিন পর্যন্ত কফিলের কাছ থেকে আকামার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন প্রবাসীরা। নভেল করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আগামী অক্টোবর থেকে ঢাকা-মাস্কাট রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। আগামী ১ অক্টোবর থেকে ইউএস-বাংলা এবং ২ অক্টোবর থেকে বিমান রুটটিতে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরু করবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২ অক্টোবর থেকে ওমানের মাস্কাটে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে তারা। মহামারী করোনার কারণে প্রায় সাড়ে ৬ মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় এ রুটে ফ্লাইট চালু করছে সংস্থাটি।

অযত্নে নষ্ট হচ্ছে ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ মসজিদ

অযত্নে নষ্ট হচ্ছে ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ মসজিদ

মেহেদী হাসান বাবু, নাটোর প্রতিনিধি অযন্ত ও অবহেলায় নাটোরের গুরুদাসপুরে কুসুমহাটি গ্রামের কয়কশ’ বছরের পুরাতন তিন গম্বুজ মসজিদটি ধংস হয়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। কয়েক বছর আগেও মসজিদটিতে নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব এবং রাস্তা না থাকায় মুসল্লিরা ঐতিহাসিক…

৫ শতাধিক বছরের প্রাচীন শংকরপাশা মসজিদ

৫ শতাধিক বছরের প্রাচীন শংকরপাশা মসজিদ

সিলেট বিভাগে ঐতিহাসিক তথ্য-উপাত্ত ও প্রাচীন স্থাপত্য সমৃদ্ধ হবিগঞ্জ জেলা। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামে অবস্থিত উচাইল শংকরপাশা শাহী জামে মসজিদ। হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত পঞ্চদশ শতাব্দীতে নির্মিত প্রাচীন স্থাপত্যের একটি প্রাচীন মসজিদ। এই মসজিদ গাত্রে উৎকীর্ণ শিলালিপির তথ্যে জানা যায়,…

বান্দরবানে থেমে নেই অবৈধ পাহাড় কাটা

বান্দরবানে থেমে নেই অবৈধ পাহাড় কাটা

প্রশাসনের নানা তদারকির পরও থামানো যাচ্ছে না বান্দরবানে অবৈধ পাহাড় কাটা। প্রকাশ্যে বা গোপনে একাধিক চক্র চালিয়ে যাচ্ছে পাহাড় কাটার এ মহোৎসব। সবশেষ বান্দরবান পৌরসভায় অবৈধ পাহাড় কাটার কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থানান্তর করা হচ্ছে। জানা গেছে, ইটভাটা মালিক সমিতি ও এক কাউন্সিলরের সহযোগিতায় স্থানান্তরিত ক্যাম্পটি নির্মাণের কাজ চলছে। পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ক্যচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ও পুলিশ ক্যাম্পটি ঘেঁষে পাহাড় কাটা হয়েছে। ক্যচিংঘাটা মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বলেন, পাহাড় কাটাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। যেখানে পাহাড় কাটা শেষ হয়েছে, সেখানে গাইড ওয়াল দেয়া হবে। মাঝখানের জায়গায় অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা করা হবে। এসব কাজ উন্নয়ন বোর্ড করবে বলে দাবি তার। গত শুক্রবার দুপুরে দেখা যায়, ক্যচিংঘাটার প্রধান সড়ক ঘেঁষে থাকা একটি পাহাড়ের উপরে ক্যচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি পুলিশ ক্যাম্প ও মসজিদ রয়েছে। বিদ্যালয় থেকে আনুমানিক ৪০ ফুট দক্ষিণে ও পুলিশ ক্যাম্পের ফ্লোরের শেষ অংশ থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচে পর্যন্ত খাড়াভাবে এক্সক্যাভেটর দিয়ে পাহাড়টি কাটার কাজ চলছে। তবে শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি হওয়ায় দাপ্তরিক তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবানের জুনিয়র ক্যামিস্ট আব্দুছ সালাম বণিক বার্তাকে বলেন, গতকাল করা তদন্তে ক্যচিংঘাটায় পাহাড় কাটার সত্যতা পেয়েছি। পাহাড়ের উপরে পুরনো পুলিশ ক্যাম্প থেকে প্রায় ২০ গজ ব্যবধানে নতুন একটি স্থাপনার কাজও চলছে। মসজিদ কমিটির পাহাড় কাটার ছবি ধারণ করে এনেছি। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দেয়া হবে। গত রোববার উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিট অফিস সূত্র জানায়, ক্যচিংঘাটায় একটি মসজিদ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শুরু হওয়া ৩৮ লাখ টাকা চুক্তি মূল্যে নির্মাণাধীন মসজিদটি বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছেন রাঙ্গামাটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খাজা আজমীর। এ বিষয়ে ঠিকাদার মো. শামসু গতকাল বলেন, মসজিদ কমিটির পাহাড় কাটার মাটিচাপা পড়ে আমার নির্মাণ করা দুই জানালাবিশিষ্ট ১১ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৭ ফুট উঁচু একটি দেয়াল ধসে গেছে। এছাড়া দুই ফ্লোরেও মাটি ভরে গেছে। তাই ১০-১২ দিন আগে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছি। ফ্লোরগুলোয় ভরে যাওয়া মাটি ও অন্যান্য ক্ষতি পুষিয়ে না দেয়া পর্যন্ত পুনরায় কাজ শুরু করবেন না তিনি। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মো. ইয়াসির আরাফাত গত রোববার বণিক বার্তাকে বলেন, ক্যচিংঘাটায় একটি মসজিদ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তবে মাটি কাটার বিষয়ে জানা নেই। যদি মাটি কাটা হয়ে থাকে তাহলে উন্নয়ন বোর্ডের নাম ভাঙানো হচ্ছে। এতে বোর্ড জড়িত নয় বলে জানান তিনি। এদিকে পুলিশ ক্যাম্প স্থানান্তরের বিষয়ে জানতে চাইলে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়ির সার্বিক বিষয় পুলিশ সুপারের ওপর ন্যস্ত। এসব বিষয়ে থানা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দেয়া নির্দেশ পালন করে থাকে। ইটভাটার মালিক সমিতির দেয়া ইট ও ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখর দাশের আর্থিক সহযোগিতায় ক্যাম্প স্থানান্তরের কাজ হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। বান্দরবান পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখর দাশ বলেন, একজনের সঙ্গে মসজিদের জায়গার সীমানাজনিত সমস্যা নিরসনের জন্য আমাকে সেখানে যেতে হয়েছিল। তখন ওসি আমাকে ক্যাম্প স্থানান্তরের জন্য আর্থিক সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চিন্তাভাবনা নেই বলে জানান তিনি। এদিকে ইটভাটা মালিক সমিতির এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উজ্জ্বল দাশ বলেন, ভাটা মালিক সমিতি কোনো ইট দিচ্ছে না। যার যার মতো করে ইট দিয়ে সহযোগিতা করে থাকতে পারে।

কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত  পর্যটকদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে পরিত্যক্ত ব্লক ও কংক্রিট

কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত পর্যটকদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে পরিত্যক্ত ব্লক ও কংক্রিট

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সৈকতে যত্রতত্র পড়ে থাকা পরিত্যক্ত ব্লক, কংক্রিট, ইট, সুরকি ও গাছের গুঁড়ি এখন পর্যটকদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। জোয়ারের সময় পর্যটকরা সমুদ্রে গোসলে নামলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। সৈকতে ওঠা-নামার সম্মুখভাগ জিরো পয়েন্টসহ প্রায় ১০০ মিটার বেলাভূমিতে এসব ব্লক ও কংক্রিট এখন দৃশ্যমান। দেখভালের দায়িত্বে থাকা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও পৌরসভার এগুলো অপসারণ করার কথা থাকলেও তারা দেখেও না দেখার ভান করছে। ঝুঁকিপূর্ণ জোনটিতে কোনো সতর্কতামূলক বা নির্দেশনামূলক চিহ্ন না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পর্যটকরা। সরেজমিন দেখা গেছে, চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রচণ্ড ঢেউয়ে সৈকতের প্রচুর বালি ক্ষয় হয়। সম্প্রতি বালির ওপর জেগে ওঠে পরিত্যক্ত ব্লক, কংক্রিট, ইট, সুরকি ও গাছের গুড়ি। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ঢেউয়ের তাণ্ডবে উপড়ে পড়েছে বড় বড় গাছ। গাছ অপসারণ হলেও গুড়িগুলো পড়ে রয়েছে যত্রতত্র। এতে পর্যটকদের চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটা সৈকতের প্রবেশদ্বারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে বায়োগ্যাস প্লান্ট কাম রেস্ট হাউজ ২০০৭ সালের নভেম্বরে সুপার সাইক্লোন সিডরের আঘাতে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। পরে এলজিইডি ওই ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি নিলামে বিক্রি করে দেয়। ভবনটির বেশকিছু ভাঙা অংশ সৈকতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ফলে সৈকতে পর্যটকরা নির্বিঘ্নে হাঁটাচলা করতে পারছেন না। ফটোগ্রাফার রুবেল জানান, পর্যটকদের এমন বিড়ম্বনা থেকে নিস্তার দিতে তারা নিজেদের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোয় বাঁশ পুঁতে লাল কাপড় টানিয়ে দিয়েছিলেন। প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে তা এখন আর নেই। পর্যটক ফারজানা বলেন, জোয়ারের সময় সৈকতে গোসল করতে গিয়ে কংক্রিটের ভাঙা অংশে ডান পা কেটে গেছে। পাঁচদিনের ট্যুরে এসে আহত হয়ে ওইদিনই পরিবারের কাছে ফিরতে হয়েছে। তবে পর্যটকদের কথা বিবেচনায় রেখেই কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত বলে তিনি মনে করেন। ট্যুর অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেন মো. আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, সৈকতের সম্মুখভাগে পড়ে থাকা কংক্রিট খণ্ডগুলো প্রমাণ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন পর্যটকবান্ধব নয়। জোয়ারের সময় সমুদ্রে গোসল করতে নেমে প্রতিদিনই কোনো না কোনো পর্যটক আহত হচ্ছেন। এছাড়া যত্রতত্র পড়ে থাকা পরিত্যক্ত ব্লক, কংক্রিট, ইট, সুরকি ও গাছের গুড়ি সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট করছে। এগুলো দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। কুয়াকাটার পৌর মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা বলেন, অবিলম্বে সৈকতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কংক্রিট খণ্ডগুলো সরিয়ে নেয়া হবে। গত বছর আমরা কিছু ভাঙা অংশ অপসারণ করেছিলাম, চলতি বছর আবারো বালির নিচের চাপা পড়া কংক্রিট ও ব্লক ক্ষয়ে বেলাভূমিতে জেগে ওঠেছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের চলতি দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক বদরুল কবির বলেন, সৈকতের সম্মুখভাগের ঝুঁকিপূর্ণ ওই স্থানে পর্যটকদের নামতে নিরুৎসাহিত করলেও পর্যটকদের মধ্যে বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হয়। ট্যুরিস্ট পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, পরিত্যক্ত ব্লক, কংক্রিট, ইট, সুরকি অপসারণের তাগিদ দেয়া হয়েছে। কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, পর্যটকদের সমস্যা নিরসনে পড়ে থাকা ওইসব কংক্রিট ও ব্লক পাউবোর সঙ্গে কথা বলে অচিরেই অপসারণের ব্যবস্থা নেয়া…

প্রাণ ফিরে পাক মহাস্থানগড়

প্রাণ ফিরে পাক মহাস্থানগড়

প্রত্নতত্ত্ব সম্পদের বিশাল ভাণ্ডারসমৃদ্ধ ঐতিহাসিক বগুড়ার মহাস্থানগড়। সকাল হলেই যেখানে ছুটে আসেন দেশি-বিদেশি দূর-দূরান্তের শত শত দর্শনার্থী। কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের থাবায় ইতোমধ্যেই কোটি টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে সরকার। এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠার এখনো কোনো উপায় হয়নি কর্তৃপক্ষের। তবুও এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা,…

মহামারীতে বেড়েছে প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ উপকৃত হচ্ছেন প্রকৃতিবিদরা

মহামারীতে বেড়েছে প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ উপকৃত হচ্ছেন প্রকৃতিবিদরা

মার্চের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে নভেল করোনাভাইরাস মহামারী আঘাত হানার পর যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যদিনের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। তবে অনেক মানুষ অন্তহীন জুমকলে বসে থাকার পরিবর্তে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়েছিলেন। অবসরের এ সময়ে অনেক মানুষ বাড়ির বাইরে গিয়ে তাদের চারপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণে লেগে যান। আর এটা প্রকৃতি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বিজ্ঞানের ওয়েবসাইটগুলোতে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ডাটার পরিমাণ ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের সাইটগুলোতে নিজের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের চারপাশের বিভিন্ন ধরনের ছবি ও তথ্য যুক্ত করার সুযোগ পায়। কর্নেল ল্যাব অব অরনিথোলজির ইবার্ড ওয়েবসাইটে গত বছরের তুলনায় এ বছর ২৯ শতাংশ ডাটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন ধরনের পাখির বাসা তুলে ধরা নেস্টওয়াচ নামের আরেকটি কর্নেল ল্যাব ওয়েবসাইটে এবার ৪১ শতাংশ ডাটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সক্রিয় গবেষণা প্রকল্পগুলোর সঙ্গে নাগরিক বিজ্ঞানীদের সংযুক্তকারী ওয়েবসাইট সায়স্টার্টার গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় এ বছরের এপ্রিলে প্রকল্পগুলোতে অবদানের হার ৪৮০ শতাংশ বৃদ্ধির রেকর্ড করেছে। এটার প্রতিষ্ঠাতা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপ্লোরার ডার্লিন ক্যাভালিয়ার এ বছরের শেষ নাগাদ এক লাখের বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশা করছেন। ক্যালিফোর্নিয়া একাডেমি অব সায়েন্সেস ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে করা আইন্যাচারালিস্টে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন পর্যবেক্ষণ যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট ইউনিভার্সিটির পাবলিক সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ক্যারেন কুপার বলেছেন, একটা প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে গবেষণা কেবল শিল্পে বা একাডেমিক পর্যায়ে ঘটে। কিন্তু বাস্তবতা হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতিপ্রেমী স্বেচ্ছাসেবীরা সমুদ্রের কচ্ছপ ট্র্যাকিং থেকে শুরু করে রাতের আকাশের আলোকসজ্জা পর্যবেক্ষণ পর্যন্ত কাজগুলো ব্যবহারিক গবেষণায় অনেক বেশি অবদান রাখে। স্বেচ্ছাসেবীদের এ অবদান এ বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কভিড-১৯ মহামারীর কারণে অনেক বিজ্ঞানী তাদের ফিল্ডওয়ার্ক স্থগিত বা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। প্রতি শুক্রবার জিম ওয়াগনার একদল লোকের সঙ্গে উত্তর ভার্জিনিয়ার প্রাকৃতিক অঞ্চলজুড়ে ফড়িং, প্রজাপতি, ড্যামসেলফ্লাইস ও অন্যান্য প্রজাতি সন্ধানে বের হন। তাদের এ রেকর্ড কীটপতঙ্গগুলো সম্পর্কে মূল্যবান পর্যবেক্ষণ সরবরাহ করে। প্রায় ৩০ বছর আগে ওককোয়ান বে মেইডুউডস সার্ভেইস নামে পরিচিত এ গ্রুপটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ওয়াগনার। ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি গবেষক এলিস লারসন বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের তথ্য ব্যবহার করে একটি প্রজাপতি কীভাবে রুপালি দাগযুক্ত হয়ে ওঠে এবং পুনরুৎপাদন করে সে সম্পর্কে অনেক বেশি জানা যায়। এ মডেলগুলো প্রজাপতির জনসংখ্যার প্রবণতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন বা দূষণের মতো প্রভাবের কারণে তারা কীভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, তা তুলে ধরতে পারে। ওই ব্যক্তিরা বিষয়টির প্রতি অনুরাগী ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক