Recent News
দেশজুড়ে লাইসেন্সবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে ব্যবসারত লাখ লাখ ফার্মেসি

দেশজুড়ে লাইসেন্সবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে ব্যবসারত লাখ লাখ ফার্মেসি

দেশজুড়ে লক্ষাধিক ফার্মেসি লাইসেন্সবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে বিপুলসংখ্যক ফার্মেসিই ভেজাল, নকল ও নি¤œমানের ওষুধ বিক্রিতে জড়িত। সারাদেশেই অলিগলিতে গড়ে উঠেছে নতুন অসংখ্য ওষুধের দোকান। আর সেগুলোর অধিকাংশই অবৈধ। রাজধানীসহ সারা দেশের জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়…

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রকল্প  মেয়াদ প্রায় শেষ, বাস্তবায়ন অগ্রগতি মাত্র ২ শতাংশ

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রকল্প মেয়াদ প্রায় শেষ, বাস্তবায়ন অগ্রগতি মাত্র ২ শতাংশ

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে দেশের আটটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ২০১৬ সালে প্রকল্প নেয় সরকার। ৯০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ের এ প্রকল্প ওই বছরের জুলাইয়ে শুরু হয়ে আগামি বছরের জুনে শেষ হওয়ার কথা। তবে এখন পর্যন্ত প্রকল্পটির বাস্তবায়ন…

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সেই পরিচালক ওএসডি

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সেই পরিচালক ওএসডি

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. মুহাম্মদ আবদুর রহিমকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওএসডি হয়েছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। আবদুর রহিম তার কার্যালয়ের পুরুষ…

চিকিৎসার জন্য আবারো বিদেশমুখী উচ্চবিত্তরা

চিকিৎসার জন্য আবারো বিদেশমুখী উচ্চবিত্তরা

চিকিৎসা নিতে উচ্চবিত্তদের গন্তব্য সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এমনকি যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রও। আর মধ্যবিত্তরা যায় প্রতিবেশী দেশ ভারতে। কয়েক বছর ধরেই বিদেশগামী রোগীদের মধ্যে এ প্রবণতা চলে আসছে। কিন্তু নভেল করোনাভাইরাসের কারণে হঠাৎ করে এ ধারায় সাময়িক ছেদ ঘটে। বিশ্বব্যাপী লকডাউনে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে পড়ায় ধনী-গরিব সবাইকেই চিকিৎসা নিতে হয়েছে দেশেই। তবে ফ্লাইট চলাচল শুরু হওয়ায় আবারো চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে শুরু করেছে সামর্থ্যবানরা। উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের সামর্থ্যবান নাগরিকদের প্রথম পছন্দ সিঙ্গাপুর ও ব্যাংকক। কিন্তু নভেল করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে ব্যাংককের ভিসা। মালয়েশিয়াতেও বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশীদের ভিসা। সিঙ্গাপুর চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশীদের ভিসা দিলেও রয়েছে কঠিন নিয়মের বেড়াজাল। নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সিঙ্গাপুরে পৌঁছার পর হোটেল কক্ষেই ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয়, যা বেশ ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। এর পরই শুরু হয় চিকিৎসা প্রদান। এ কারণে বাংলাদেশীরা এখন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা গ্রহণে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য উচ্চবিত্তের কাছে নতুন গন্তব্য তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সংশ্লিষ্টরা জানান, আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে তুরস্ক ও দুবাইয়ে চিকিৎসা সেবাগ্রহীতাদের যাতায়াত। দেশ দুটিতে প্রতিদিন ৩০-৪০ জন বাংলাদেশী চিকিৎসা নিতে গিয়েছে। সে হিসেবে গত তিন মাসে চিকিৎসার জন্য তুরস্ক ও দুবাই গিয়েছে আড়াই হাজারের বেশি সামর্থ্যবান বাংলাদেশী। নিয়মিত বিদেশে চিকিৎসা সেবা নেয়া এমনই একজন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। স্বাভাবিক সময়ে মেডিকেল চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুরে যেতেন তিনি। কিন্তু করোনার কারণে সিঙ্গাপুরের ভিসা বন্ধ থাকায় চলতি মাসের মাঝামাঝি দুবাই যান এ ব্যবসায়ী। মেডিকেল চেকআপ শেষে ২৩ অক্টোবর দেশে ফিরে আসেন তিনি। জসিম উদ্দিনের ব্যক্তিগত সহকারী শহীদুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, স্যার নিয়মিত সিঙ্গাপুরে মেডিকেল চেকআপ করিয়ে থাকেন। কিন্তু করোনার কারণে সেখানকার ভিসা বন্ধ থাকায় দুবাইয়ে গিয়ে মেডিকেল চেকআপ করিয়ে এসেছেন। তিনি দুবাইয়ের আমেরিকান হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়েছেন। স্যার ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। করোনার কারণে মার্চের মাঝামাঝি থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আকাশপথে নিয়মিত যোগাযোগ। সেই সঙ্গে বন্ধ থাকে মেডিকেল ট্যুরিজমও। তবে গত জুনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এয়ারলাইনস এবং জুলাই থেকে তুরস্কের এয়ারলাইনস বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরু করে। প্রথমদিকে ট্রানজিট যাত্রী পরিবহন করলেও পরবর্তী সময়ে ভ্রমণ ও চিকিৎসা ভিসায় বাংলাদেশীদের প্রবেশাধিকার দিতে শুরু করে দুবাই ও ইস্তাম্বুল। এরপর থেকেই চিকিৎসা নিতে উচ্চবিত্তরা দেশ দুটিতে যেতে শুরু করে। মেডিকেল ট্যুরিজম খাতের সঙ্গে যুক্তদের দেয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশীদের দুবাইয়ের চিকিৎসা নিতে যাওয়া হাসপাতালের মধ্যে প্রথম পছন্দ হলো এস্টার হাসপাতাল। মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে প্রতিষ্ঠানটির ২৫টি হাসপাতাল ও ১১৬টি ক্লিনিক রয়েছে। এ হাসপাতালের চিকিৎসকদের বেশির ভাগই ভারতীয়। তাদের আবার ভারতেও হাসপাতাল রয়েছে। তবে দুবাই সার্জারি খুবই ব্যয়বহুল। ডিএনএ বা এইচএলএ টাইপিং টেস্টের খরচ বাংলাদেশ ও ভারতে হয় ১৫-২০ হাজার টাকায়। কিন্তু সেই টেস্ট দুবাইয়ে করতে হয় ২৮ হাজার দিরহাম বা ৪ লাখ টাকায়। বিশেষ করে কিডনি ও লিভার প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এ টেস্ট করাতে হয়। উচ্চবিত্তদের জন্য দুবাইয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো থাকলেও বড় বড় সার্জারি করার সক্ষমতা তাদের তেমন নেই। সেখানে ভারতীয় চিকিৎসকরা গিয়েই সার্জারি করেন। তুরস্ক আগে থেকেই মেডিকেল ট্যুরিজমে উন্নত। কিন্তু আগে বাংলাদেশ থেকে তুরস্কের বিমান ভাড়া অনেক বেশি ছিল। তাই দেশটিতে চিকিৎসা নিতে আগ্রহীর সংখ্যা কম ছিল। আর মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের ভিসা বন্ধ থাকায় উচ্চবিত্তরা দুবাই ও তুরস্কে যাচ্ছে। কিন্তু সেটা চালু হলে রোগীরা এ দুই দেশে তেমনটা যাবে না বলে মনে করেন এ খাতে কাজ করা ব্যক্তিরা। ভ্রমণ ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান নিউ ডিসকভারি ট্যুরস অ্যান্ড লজিস্টিকসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার আলম ভূইয়া বণিক বার্তাকে বলেন, বাংলাদেশী উচ্চবিত্তরা নিয়মিত যেসব দেশে চিকিৎসা সেবা নিতে যেতে, করোনার কারণে এবার সেখানে প্রবেশাধিকার নেই তাদের। এ কারণে বিকল্প হিসেবে তুরস্ক এবং দুবাইয়ে যাচ্ছে তারা। তবে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার তুলনায় এ দুটি গন্তব্যে চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল। তাই ফ্লাইট স্বাভাবিক হলে উচ্চবিত্তরা আবারো চিকিৎসায় ব্যাংকক ও সিঙ্গাপুরমুখী হবে বলে ধারণা করা যায়। স্বাভাবিক সময়ে ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় প্রতি বছর প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশী রোগী চিকিৎসার জন্য ছুটে যায়। হূদরোগ, ক্যান্সার, কিডনি ও চোখের সমস্যা নিয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী যায় ভারতে। এক্ষেত্রে ক্যান্সারের জন্য দিল্লি, চেন্নাই, চোখের জন্য চেন্নাই ও কলকাতাকে বেছে নেয় তারা। ২০১৭ সালেই মেডিকেল ভিসায় ভারতে চিকিৎসা নিয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৭৫১ জন বাংলাদেশী। বিশ্বস্ত, সৎ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং তুলনামূলক কম সময়ে অস্ত্রোপচার ও রোগ নির্ণয়ের সুবিধা থাকায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশী থাইল্যান্ডে চিকিৎসা সেবা নেয়। সরকারি হিসাবে ২০১৭ সালে ৬৫ হাজার বাংলাদেশী রোগী দেশটিতে সেবা নিয়েছে। যদিও বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি। গন্তব্য হিসেবে থাইল্যান্ডের পরই বাংলাদেশী রোগীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরো দুই দেশ সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া। সিঙ্গাপুরে গত বছর চিকিৎসা নিয়েছে ২৫ হাজার বাংলাদেশী।  

নারীর হিজাব, পুরুষের টাকনুর ওপর পোশাক পরার বিজ্ঞপ্তি জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে

নারীর হিজাব, পুরুষের টাকনুর ওপর পোশাক পরার বিজ্ঞপ্তি জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে

সরকারি বিধি অনুযায়ী নয়, জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. মুহাম্মদ আব্দুর রহিম তার অফিস চালাতে চান নিজের স্টাইলে। এজন্য তিনি তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ড্রেস কোড নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। গতকাল (২৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি লিখেছেন, ‘অত্র ইনস্টিটিউটের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবগতির…

হেপাটাইটিস সি ভাইরাস সর্ম্পকে যে তথ্য জেনে রাখা দরকার

হেপাটাইটিস সি ভাইরাস সর্ম্পকে যে তথ্য জেনে রাখা দরকার

হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত এবং নিরাময় কৌশল আবিষ্কারের জন্য এই বছর চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভি জে অল্টার ও চার্লস এম রাইস এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী মাইকেল হগটন। পৃথিবীতে বর্তমানে সাত কোটি ১০ লাখের বেশি হেপাটাইটিস সি রোগী রয়েছে…

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের হার বাড়বে—স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের হার বাড়বে—স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনার দ্বিতীয় প্রবাহে সংক্রমণের হার বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তবে এ প্রবাহ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও এ সময় মন্তব্য করেছেন তিনি। রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে গতকাল বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) আয়োজনে ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও প্রস্তুতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না দ্বিতীয় ঢেউ কবে আসবে বা হবে। তবে আমরা প্রস্তুত আছি।  শীতের দিনে মানুষের বিয়ে-শাদি, পিকনিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও গান-বাজনাসহ নানা কর্মকাণ্ড বাড়ে। এ কারণে লোকের সমাগম বেশি হতে পারে, যার ফলে সংক্রমণের হার বাড়তে পারে। তিনি বলেন, আমরা এ বিষয়ে সচেতন আছি। সারা দেশে চিঠি দিয়েছি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। আমরা আরো প্রস্তুতি নেব। প্রাইভেট সেক্টরকেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। আমরা আশা করি আমাদের করোনা বাড়বে না। আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করি, তাহলে বাড়বে না। তিনি বলেন, যদি স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলি, মাস্ক না পরি, বেখেয়ালভাবে চলাফেরা করি, তাহলে সংক্রমিত হতে পারি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আমাদের দেশে দ্বিতীয় ঢেউ আসবে না। সীমিত সম্পদ ও জ্ঞান নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, করোনা চিকিৎসায় কী লাগবে, সেটা আমরা জানতাম না। পৃথিবীর কেউ জানত না। আমরা অন্যের অভিজ্ঞতা দেখে শিখেছি। শিখে শিখে বাংলাদেশে আমরা কাজে লাগিয়েছি। শুরুতে একটি ল্যাব ছিল। এখন ১০৭ ল্যাব, কিন্তু পরীক্ষা ১০-১২ হাজারের বেশি হয় না। এটাও একটা প্রশ্ন, কেন টেস্ট বেশি হচ্ছে না? কারণ লোকে আসে না। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। আহ্বান করেছি। এখন আর রোগী এগিয়ে আসে না টেস্ট করানোর জন্য। যারা প্রয়োজন মনে করে, তারাই আসে। এখনো আমরা আহ্বান করব, সমস্যা দেখা দিলে আপনারা আসেন। সময়মতো চিকিৎসা নেন ও ভালো হয়ে যান। হাসপাতালে ২০ হাজার সিট ব্যবস্থাপনা করা আছে, কিন্তু সেখানে এখন রোগী কম। করোনাকালে সবখানে লকডাউন থাকলেও স্বাস্থ্য খাতে কোনো লকডাউন ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের ডাক্তার, নার্সসহ সব কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক কাজ করেছেন। অনেকের জীবন দিতে হয়েছে। এ খাতের সবাই মিলেমিশে কাজ করেছে। বাংলাদেশের ওষুধের কোনো অভাব হয়নি। বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ওষুধ পাওয়া গেছে। এজন্য কোম্পানিগুলো ধন্যবাদ পেতে পারে, তারাও ভালো কাজ করেছে। এ সময় ব্যক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনেক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু এসব জায়গায় কোনো লকডাউন ছিল না। পৃথিবীর কোনো দেশের স্বাস্থ্য খাতের এত সমালোচনা হয়নি, যতটা না বাংলাদেশের হয়েছে। তবে এখন সবাই প্রশংসা করে। প্রধানমন্ত্রী কয়েকবার আমাদের মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, সবার সমন্বিত কাজের ফলে এখন দেশের অবস্থা অনেক ভালো। অনেক সংকট ও অভিযোগের মধ্যেও সংশ্লিষ্টরা অনেক ভালো কাজ করেছেন। ঢেউ নিয়ে আমরা যেটা বলছি, তার বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি আমি দেখি না। প্রস্তুতি রাখতে হবে, আসলে মোকাবেলা দরকার, না এলে ভালো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের কাছে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। পূর্ব অভিজ্ঞতা বলে, শীতে অবস্থা খারাপ হতে পারে। এজন্য প্রস্তুতি চলছে। আমরা বসে নেই। তবে ভ্যাকসিনসহ অন্যান্য চিকিৎসার কথা না ভেবে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ভ্যাকসিন ৫০-৭০ শতাংশ কাজ করবে। কোনো ভ্যাকসিন যেহেতু শতভাগ কাজ করবে না, সুতরাং কোনো ধরনের ঢিলেমি না করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করছি। আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি এমএ মুবিন খান এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিপিএমসিএর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার…

বায়ু ও পয়ঃবর্জ্যরে মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনা

বায়ু ও পয়ঃবর্জ্যরে মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনা

পয়ঃবর্জ্যরে মাধ্যমেও করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন। এ ছাড়া গবেষকরা বলেছেন, বায়ুবাহিত ক্ষুদ্র কণা থেকেও করোনভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে। আর তা একজনের দেহ থেকে একাধিক মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে। এজন্য পয়ঃবর্জ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র না…

স্বাস্থ্যে দুর্নীতি ৪৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ মিলেছে

স্বাস্থ্যে দুর্নীতি ৪৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ মিলেছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক আব্দুল মালেক। শত কোটি টাকার মালিক। হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেন। দেশ-বিদেশে কয়েকটি বাড়িসহ হাজার কোটি টাকার মালিক। ঠিকাদার মিঠু। হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়ে এখন লাপাত্তা। এমন অসংখ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন যারা সামান্য বেতনের চাকরিকে পুঁজি করে টাকার কুমির বনে…

মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যে ঘুম

মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যে ঘুম

: শরীর সুস্থ রাখতে দরকার ভালো খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত ঘুম। তবে ঘুমের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে নতুন তথ্য দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ঘুম মানুষের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ৬০টিরও বেশি ঘুমের ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তাঁরা ঘুমের সময়, ঘুমের…