Recent News
আমাদের যুবসমাজের একটি অংশে বিভ্রান্তি

আমাদের যুবসমাজের একটি অংশে বিভ্রান্তি

আমাদের প্রগতিশীল যুবসমাজেরও একটা বড় অংশে বর্তমানে একটা বিভ্রান্তি কাজ করছে বলে আমার ধারণা। এই ধারণা আমার মনে সম্প্রতি জন্মেছে ঢাকার একটি অনলাইন টকশোতে যোগ দেওয়ার পর। এই আলোচনায় যারা যোগ দিয়েছিলেন, তারা সবাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী তরুণ ও প্রবীণ বুদ্ধিজীবী। এই…

আইইএর পর্যবেক্ষণ  কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহার কমিয়ে এনেছে মহামারী

আইইএর পর্যবেক্ষণ কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহার কমিয়ে এনেছে মহামারী

নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী পুরো বিশ্বকে টালমাটাল পরিস্থিতিতে ফেলেছে। দেশে দেশে টানা লকডাউন চলমান থাকায় তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি। তবে এমন সংকটময় পরিস্থিতিতেও পরিবেশবাদীরা পেয়েছেন সুসংবাদ। করোনা মহামারী ও লকডাউনে চলতি বছর কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহার আগের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ কমে এসেছে। তবে জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহারে এমন মন্দা ভাব সাময়িক। আগামী বছর কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহার চলতি বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়তে পারে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। খবর বিজনেস লাইন ও রয়টার্স। প্যারিসভিত্তিক আইইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের পর থেকে চাহিদা বিবেচনায় ভালো সময় কাটায়নি বৈশ্বিক কয়লা খাত। গত দুই বছরে জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহার প্রায় ৭ শতাংশ কমে এসেছে। পরিমাণের হিসাবে তা ৫০ কোটি টন। এর পেছনে মূলত দুটো কারণ কাজ করেছে। প্রথমত, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারে অনেক দেশ আগের তুলনায় সচেতন হয়ে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের লাগাম টানার দাবির মুখে কমে এসেছে কয়লার ব্যবহার। দ্বিতীয়ত, করোনা মহামারী ও লকডাউনে অর্থনৈতির গতি শ্লথ হয়ে আসায় অন্যান্য শিল্পের মতো কয়লা খাতও উত্তোলন, ব্যবহার ও রফতানিতে সংকটে পড়েছে। ‘কোল ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইইএ বলছে, চলতি বছর কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৭২৪ কোটি ৩০ লাখ টনে। করোনা মহামারীর জের ধরে এক বছরের ব্যবধানে জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহার কমতে পারে ৫ শতাংশ। তবে আগামী বছর বিশ্বজুড়ে কয়লা ব্যবহারে প্রবৃদ্ধি ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখছে আইইএ। প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২১ সালে বিশ্বজুড়ে কয়লার সম্মিলিত ব্যবহার ৭৪৩ কোটি ২০ লাখ টনে দাঁড়াতে পারে। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়তে পারে ২ দশমিক ৬ শতাংশ। পরিমাণের হিসাবে তা প্রায় ২০ কোটি টন বেশি। এক বিবৃতিতে আইইএর এনার্জি মার্কেটস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ বিভাগের পরিচালক কেইসুকি সাদামোরি বলেন, মহামারী শুরুর আগেও আমরা ভেবেছিলাম চলতি বছর বিশ্বজুড়ে কয়লার ব্যবহার বাড়তির দিকে থাকবে। তবে করোনা সংক্রমণ সব চিত্র ওলটপালট করে দিয়েছে। করোনাকালে কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহার বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহারে সর্বোচ্চ পতন দেখা যেতে পারে। যদিও এ ধাক্কা খুবই অল্প সময়ের জন্য। আগামী বছর নাগাদ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসতে পারে কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহার। কয়লার বৈশ্বিক বাজার আগে পশ্চিমের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোকে ঘিরে পরিচালিত হতো। এখন সময় বদলেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কয়লা বেচাকেনা এখন মূলত এশিয়া মহাদেশে স্থানান্তরিত হয়েছে। জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক বাণিজ্যের কেন্দ্রে এখন দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। আইইএর হিসাবে বিশ্বজুড়ে উত্তোলন হওয়া ৭৫ শতাংশ কয়লার ক্রেতা এশিয়া দেশগুলো, যা এ অঞ্চলের দেশগুলোয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার হয়। ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামসহ এশিয়ার উন্নয়নকামী ও দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলো জ্বালানি পণ্যটির ব্যবহার উত্তরোত্তর বাড়িয়ে চলেছে। এ ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সাল নাগাদ এশিয়ার বাজারে কয়লার (থার্মাল কোল) সম্মিলিত চাহিদা ১১০ কোটি টনে পৌঁছে যেতে পারে। সম্প্রতি প্রকাশিত মিনারেলস কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়ার (এমসিএ) এক গবেষণায় এ সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। এদিকে আইইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দিনগুলোয় কয়লার বৈশ্বিক ব্যবহারে সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি অর্জনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখবে এশিয়ার দেশগুলো। তবে ২০২৫ সাল নাগাদ বৈশ্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার হিস্যা ছাড়িয়ে যেতে পারে সৌর, পানি, বায়ুর মতো নবায়নযোগ্য…

সত্তরের ঘূর্ণিঝড় ও একজন ফজলে হাসান আবেদ

সত্তরের ঘূর্ণিঝড় ও একজন ফজলে হাসান আবেদ

১৯৭০ সালের নভেম্বরে উপকূলীয় এলাকায় প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর ফজলে হাসান আবেদ যেভাবে সংগঠন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেন ও পরবর্তী সময়ে বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠন করেন—এর মাধ্যমে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ গড়ার কাজে সরকারের পাশাপাশি যে সামাজিক শক্তিরাও রয়েছে সে বিষয়টি তিনি প্রতিষ্ঠিত করেন। দেশ গড়ার কাজে সরকারি শক্তির পাশাপাশি বেসরকারি সামাজিক শক্তির গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি তিনি তৈরি করেন। এটি ছিল তাঁর প্রথম কাজ। এ ধরনের কাজের ভীষণ প্রয়োজন তখন ছিল। সে সময় কিন্তু এগুলো কোনো অনুমতির ভিত্তিতে হচ্ছিল না, হচ্ছিল সামাজিক উদ্যোগের ভিত্তিতে। আর এটা ছিল শুরুর ধাপ। ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষ শুরু হলে দারিদ্র্যের বিষয়টা সামনে উঠে আসে। এমনকি ১৯৭৫ সালের পর সরকারও কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিকে গ্রহণ করে। এ পর্যায়ে ফজলে হাসান আবেদ তাঁর দ্বিতীয় ভূমিকাটা রাখেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসও একই সমান্তরালে ভূমিকা পালন করেছেন। সত্তরের মাঝামাঝি থেকে দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক এক নম্বর এজেন্ডা হয়ে গেল দারিদ্র্য বিমোচন। আমার ধারণা, তারা উভয়ই দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধান কীভাবে হতে পারে—সে বিষয়টা নিয়ে কাজ শুরু করলেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে কাজ শুরু করলেন। ফজলে হাসান আবেদ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিলেন। প্রফেসর ইউনূস যেমন নারীদের আর্থিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাদের জন্য অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের দুয়ার খুললেন, ফজলে হাসান আবেদও সমান গুরুত্বপূর্ণ একটি দুয়ার উন্মুক্ত করে দিলেন। আর তা হচ্ছে নারীর ওপর থেকে তার প্রজনন দায়িত্বের বোঝা (তখন একজন নারী ছয়-সাতটি সন্তানের মা হতেন) কমানো। প্রজনন দায়িত্বের ওই বোঝা নিয়ে নারীর কোনো  ধরনের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ সম্ভব ছিল না। নারীকে প্রজনন বোঝা থেকে মুক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ কাজে হাত দিলেন তিনি। শুরু করলেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি। এভাবে নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ তৈরির উদ্যোগ নিলেন। এদিকে আইসিডিডিআর,বি ওরস্যালাইন আবিষ্কার করাতে শিশুমৃত্যুর হার কমার ফলে অধিক সন্তান নেয়ার প্রবণতাও কিছুটা কমে যায়। সত্তরের দশকের সে সময়টাতেই মূলত সামাজিক শক্তি ও এনজিও শব্দটির এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়। এরপর দারিদ্র্য বিমোচন করাটা যখন এক নম্বর এজেন্ডা হয়ে গেল তখন দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধানগুলো খোঁজার চেষ্টায় পদপ্রদর্শক হিসেবে ফজলে হাসান আবেদ ভূমিকা রাখতে শুরু করলেন। নারীকে প্রজনন বোঝা থেকে মুক্ত করার বিষয়টা ধরে নারী শিক্ষার বিষয়টা তখন সামনে চলে আসে। এটিও একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমি যদি দশক ধরে অগ্রসর হই তাহলে সত্তর দশকের শেষার্ধে দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধান খোঁজার চেষ্টাগুলোর কথা বলব। সে সময় এনজিওর বিষয়টা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পথে চলে যেতে পারত। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধানটা কীভাবে হবে তা নিয়ে অগ্রসর হয়েছেন তিনি। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কাঠামোকেন্দ্রিক সমাধানের পথ নয়, মাঠ পর্যায়ে, দরিদ্র পরিবার পর্যায়ে পরিবর্তন করার বিষয়টি তুলে ধরেন। মাঠ পর্যায়ে সমাধানের চেষ্টাটা করা থেকে আসলে এনজিওদের যাত্রা শুরু হলো। প্রফেসর ইউনূস যেমন আর্থিক ক্ষমতায়নের বিষয়টিতে গুরুত্ব দিলেন, ফজলে হাসান আবেদ তেমন আর্থিক ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সামাজিক বিষয়গুলোতেও জোর দিলেন। যার সূত্র ধরে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার বিষয়টা জোরালোভাবে চলে আসে। আশির দশকে এসে মাঠ পর্যায়ে দারিদ্র্য বিমোচনের কাজটা গতি পেলে অনেক এনজিও প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। এখানেও ফজলে হাসান আবেদের অবদান রয়েছে। ব্র্যাক থেকে বের হয়ে অনেকেই এনজিও শুরু করে। এ অর্থে নতুন প্রজন্মের এনজিও নেতৃত্ব তৈরি করতে ব্র্যাক ভূমিকা রেখেছে। আশির দশকের শেষে তিনি আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন আর তা হচ্ছে, রাষ্ট্রের পাশাপাশি সামাজিক শক্তির বিকাশ। ফজলে হাসান আবেদ উপলব্ধি করেছিলেন যে এনজিওগুলোরও একটা প্লাটফর্ম দরকার। এ সময় তাঁর নেতৃত্বে তৈরি হয় অ্যাসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি অব বাংলাদেশ (অ্যাডাপ)। দারিদ্র্যের স্থায়ী সমাধানের জন্য যে সামাজিক শক্তিগুলো বিভিন্ন ধরনের কাজ করে যাচ্ছিল রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কথা বলার প্লাটফর্ম এটি। আশির দশকের শেষের দিকে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়টি জোরালো হলে নীতিগতভাবে প্রভাব রাখার জন্য এ প্লাটফর্মটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এভাবে এনজিও খাতের বিকাশ শুরু হয়। নব্বই দশকে এরশাদ সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসে গণতান্ত্রিক সরকার। স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের আমলেও কিন্তু এনজিওর বিকাশ থেমে ছিল না। তাই গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর এনজিওগুলোকে যদি তাদের দোসর হিসেবে চিন্তা করতে শুরু করত তাহলেও কিন্তু এনজিও কার্যক্রমগুলো এগিয়ে নিতে সমস্যা হতো। এখানেও ফজলে হাসান আবেদ নেপথ্যে থেকে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করেন। নতুন গণতান্ত্রিক সরকারগুলোর কাছে এনজিওর গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতে সমর্থ হন। এভাবে এনজিও কর্মকাণ্ডের একটা ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠিত হয়। চমৎকার বিষয় হচ্ছে, সত্তরের দশকে দেশে যেভাবে এনজিও কার্যক্রমের শুরু হয় পরবর্তী সময়ে তাতে তেমন বড় ধরনের ছেদ পড়েনি। ধরন অনুসারে কাজের হয়তো উত্থান-পতন ছিল কিন্তু এনজিও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ছেদ ঘটেনি। বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক পরিবেশে এ ধারাবাহিকতাটি নিশ্চিত করে এনজিওর কার্যক্রমগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নেপথ্যে থেকে রাজনৈতিক সরকারগুলোর সঙ্গে আলোচনা ইত্যাদির আলোকে এনজিও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরই কিন্তু নতুন অনেক এনজিও তৈরি হলো। যার মানে রাষ্ট্র এনজিওগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফজলে হাসান আবেদ এক্ষেত্রে যে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করেছেন তা হচ্ছে ফ্রন্টলাইনের ইনোভেশন। বিষয়টি এমন নয় যে প্রথমে তিনি একটা কাজ শুরু করেছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে তারই আকার বড় করতে থাকলেন। দারিদ্র্য বহুমাত্রিক, তাই দারিদ্র্য বিমোচনের চেষ্টাগুলোও বহুমাত্রিক হতে হবে। বাস্তব অবস্থা ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। দারিদ্র্য থেকে চরম দারিদ্র্যের বিষয়টা আসে—এটার ব্যাপারেও সমাধান প্রয়োজন। ফ্রন্টলাইনে বসে উদ্ভাবনের জায়গাটিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেন আবেদ ভাই। এনজিওর জন্য নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রও আবিষ্কৃত হতে থাকে। এনজিওদের জন্য আরো একটি জায়গায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সত্তরের দশকে এনজিওর শুরুটা ছিল সামাজিক শক্তি হিসেবে, পরবর্তী সময়ে দাতা সংস্থাদের অর্থ সহায়তার ওপর যখন নির্ভরশীলতা বাড়ছিল তখন একটা প্রশ্ন তৈরি হতে পারত যে দাতা সংস্থাদের সহযোগিতা চলে গেলে এনজিও কার্যক্রমে ধস নামবে কিনা? এনজিও কার্যক্রমের শুরুটা হয়েছিল সামাজিক শক্তি হিসেবে, দাতা সংস্থার সাহায্য থেকে নয়। ফজলে হাসান আবেদ প্রথম থেকেই আবার ওই বিষয়টা সামনে নিয়ে আসেন যে এনজিওগুলো নিজের পায়ের ওপর দাঁড়াতে পারে কিনা। আমরা যেটাকে স্থায়িত্বশীলতা বলি। খুব গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হিসেবে বিষয়টি তিনি এনজিও জগতে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন হিসেবে এন্টারপ্রাইজের আইডিয়াটা নিয়ে এলেন। দরিদ্রদের আমরা শুধু ঘরে গিয়ে সহায়তা করব তা নয়, বাজার ব্যবস্থার মধ্যেও তাদের অবস্থান তৈরি করা যায় কিনা তা নিয়ে কাজ শুরু করলেন। শুধু সামাজিক সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন নয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এক ধরনের ভূমিকা রাখার মাধ্যমেও দারিদ্র্য বিমোচন করা যায়। আড়ং দিয়ে শুরু করলেন। এরপর আড়ং ডেইরি, সিল্কসহ ধাপে ধাপে অনেক কিছু নিয়ে এলেন। দাতা সংস্থাদের নির্ভরশীলতার বাইরে এনজিগুলো কীভাবে টেকসই হতে পারে সে ধারণাও কিন্তু তিনি জোরলোভাবে নিয়ে এসেছেন, যা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। দেশের মধ্যে রাষ্ট্রের পাশাপাশি এনজিওগুলো ভূমিকা রাখবে। তিনি আরো একটি চিন্তা সামনে নিয়ে এলেন তা হচ্ছে শুধু দেশের মধ্যে নয়, বিশ্বব্যাপী এনজিওগুলো এ ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে। ব্র্যাকের যে ইন্টারন্যাশনাল কর্মকাণ্ডগুলো আছে সেখানেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। ধাপে ধাপে অনেক কাজ তিনি করেছেন যেমন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি ছিল অত্যন্ত গুরুতপূর্ণ। সবই কিন্তু এসেছে দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধানের ধারণা থেকে যে দরিদ্র পরিবারের শিশু সন্তানটা যখন ক্রমান্বয়ে শিক্ষিত হয়ে আরো উন্নততর জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করবে তখন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ধারণাটি এল। এভাবে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ধারণাটি এল যে শুধু সাপ্তাহিক ঋণ নয়, মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ও দরিদ্ররা ভূমিকা রাখতে চায়। আমি মনে করি ধাপে ধাপে এনজিও জগতের পথপ্রদর্শক হিসেবে, নিজের সামাজিক অবস্থানের জায়গা থেকে সার্বিক খাতটিকে কখনো সম্মুখসারি থেকে কখনো পেছন থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন। নেতৃত্ব বলতে কিন্তু শুধু প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব নয়, ধারণার নেতৃত্ব। রাষ্ট্রের সঙ্গে সহায়তার জায়গাগুলোয় নেতৃত্ব, সুনামের নেতৃত্ব। ফলে সরকারি কার্যক্রমে এনজিওগুলোর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দারিদ্র্য বিমোচনের কর্মকাণ্ডে সরকার এখন এনজিওগুলোর সন্ধান করে। যা বড় অর্জন। ফজলে হাসান আবেদ সমাজের মধ্যে এনজিওর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। সরকারের যেমন বিভিন্ন খাত রয়েছে, কৃষি খাত, শিল্প খাত কিংবা বেসরকারি খাত—এনজিও একটা খাত হিসেবে তাঁর হাত ধরেই এসেছে। পাশাপাশি এ খাতের বিকাশ ও পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে এ খাতকে নতুন নতুন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুগোপযোগী করে তোলার বিষয়টিতেও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাতা নির্ভরশীলতার বাইরে টেকসই ভিত্তিতে এ খাতের বিকাশকে নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি বিশাল ভূমিকা রেখেছেন। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী—আমার মনে হয় এখানে তাঁর ভূমিকাগুলোকে স্মরণ করা উচিত। তিনি হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন। পরবর্তী সময়ে এ খাতের বিকাশের জন্য তাঁর অবদানগুলোকে মনে রাখা জরুরি। তাঁর অবদানগুলো শুধু ইতিহাসের বিষয় নয়, পরিপূর্ণভাবে নীতি ও ধারণার অবদান। যেমন দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা, দাতা নির্ভরশীলতার বাইরে নিজেদের পায়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা, যে সুবিধাবঞ্চিত তার দিকে নজর বেশি দেয়া—ভবিষ্যতেও কিন্তু এ ধারণাগুলো নিয়েই অগ্রসর হতে হবে। এ নীতিগুলো ফজলে হাসান আবেদের উত্তরাধিকারের অন্যতম একটি অংশ। হোসেন জিল্লুর রহমান: চেয়ারপারসন, ব্র্যাক ও নির্বাহী চেয়ারম্যান, পিপিআরসি; সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা

বঙ্গবন্ধুর দর্শন এবং বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর দর্শন এবং বাংলাদেশ

ডিসেম্বর বিজয়ের মাস। ১৯৭১ সালের এই মাসের ১৬ তারিখে বিশ্ব মানচিত্রে ঠাঁই করে নেয় বাঙালির স্বাধীন আবাসভূমি বাংলাদেশ। আর এর স্থপতি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু জীবনের চেয়েও বেশী ভালোবাসতেন তাঁর দেশ, তাঁর বাংলা, বাংলাদেশকে। স্বাধীনতার আগে এবং পরে বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় ছিলো…

বনের ছোটপ্রাণী ও সরীসৃপদের রাস্তা পারাপারে সেতু

বনের ছোটপ্রাণী ও সরীসৃপদের রাস্তা পারাপারে সেতু

ভারতের পার্বত্য উত্তরাখণ্ড রাজ্যের ব্যস্ত মহাসড়কে অতিক্রম করার জন্য সরীসৃপ এবং অন্যান্য ছোট প্রাণীর জন্য একটি অনন্য সেতু তৈরি করে দিয়েছেন বন কর্মকর্তারা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বাঁশ, পাট এবং ঘাস দিয়ে তৈরি ৯০ ফুট (২৭ মিটার) দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতুটিকে বলা হচ্ছে ‘ইকো…

এশিয়া প্যাসিফিকে ন্যূনতম মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে  অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হোক শ্রমিকের মজুরি

এশিয়া প্যাসিফিকে ন্যূনতম মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হোক শ্রমিকের মজুরি

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্বের অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল ও উচ্চপ্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশ হিসেবে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য গবেষণা সংস্থা কর্তৃক উদীয়মান অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্র ক্লাবের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের নাম কয়েক বছর ধরেই আলোচিত হচ্ছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের মতে, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সিমেন্ট ও টেলিযোগাযোগ খাত বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র এবং নাউট ফ্রাঙ্ক ও সিটি গ্রুপ কর্তৃক যৌথভাবে প্রণীত ‘দ্য ওয়েলথ রিপোর্ট ২০১২’ প্রতিবেদনে বিশ্বের সম্পদপ্রবাহ ও সম্ভাব্য বিনিয়োগের মাধ্যমে ২০৫০ সালের মধ্যে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনে প্রথম চারটি দেশের মধ্যে নাইজেরিয়া, ভারত ও ইরাকের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। কভিডের সময় যেখানে উন্নত দেশগুলো অর্থনীতি সচল রাখতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ইতিবাচক। এর বিপরীতে বাংলাদেশে মজুরি সবচেয়ে কম। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার গবেষণার বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ন্যূনতম মজুরি সবচেয়ে কম বাংলাদেশে। শুধু তা-ই নয়, এ অঞ্চলের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই ন্যূনতম মজুরি আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমার সবচেয়ে নিচের স্তরের চেয়েও কম। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মাথাপিছু জাতীয় আয়ও বাড়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাড়েনি মজুরি। এমনকি মূল্যস্ফীতির সঙ্গেও মজুরি বৃদ্ধির হার সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। তথ্য-উপাত্ত বলছে, এ সময়ে কৃষিতে মজুরি বেড়েছে বেশি। কারণ এখানে শ্রমিকের চাহিদার চেয়ে জোগান কম। অন্যদিকে শিল্প খাতে দক্ষ শ্রমিকের অভাব দৃশ্যমান। আমরা যদি কর্মসংস্থানের স্তরকে পিরামিড হিসেবে বিবেচনা করি, তাহলে দেখা যায়, নিচের দিকে শ্রমিকের মুজরি কম। কিন্তু ওপরের দিকে শ্রমিকের মজুরি বেশি। নিচে শ্রমিকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় গড় মজুরি কমে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দক্ষতা-সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পিরামিডের ওপরের স্তরে শ্রমিকের উত্তরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিল্পে এখনো প্রচুর বিদেশী কাজ করছেন। কারণ সেখানে দক্ষ স্থানীয় শ্রমের জোগান মিলছে না। তাদের স্থান অধিকারে দেশীয় শ্রমিকের দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। শিল্পে একদিকে দক্ষ শ্রমিকের সংকট রয়েছে, অন্যদিকে মজুরি কম। এটি বিপরীতমুখী। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শ্রমের চাহিদা রয়েছে এবং মজুরিও বেশি, কিন্তু দক্ষ লোক পাওয়া যাচ্ছে না। আবার নিচের দিকে কম মজুরিতে প্রচুর অদক্ষ শ্রমিক মিলছে। এক্ষেত্রে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ভারসাম্য বিধান জরুরি। দক্ষ শ্রমিকের অভাবে শিল্পের বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই দক্ষ জনবল তৈরি ও আনুষ্ঠানিক খাতে শিল্পায়নে জোর দিতে হবে। অভিযোগ রয়েছে, দক্ষ জনবল তৈরি না হওয়ায় আনুষ্ঠানিক খাত বড় হচ্ছে না। এক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি ও শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনা আবশ্যক। মজুরি বৃদ্ধি না পাওয়ার অন্যতম কারণ কাঠামোগত ত্রুটি। দেশে শ্রমের জোগান বেশি হলেও চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। আবার শ্রমের উৎপাদশীলতার দিক থেকেও বাংলাদেশের শ্রমিকের অবস্থান তলানিতে। এক্ষেত্রে শিল্প ও শ্রমিকের উভয়ের জন্য উইন উইন অবস্থা নিশ্চিত করতে হলে দক্ষ ও উৎপাদশীল শ্রমের সরবরাহ যেমন বাড়াতে হবে, তেমনি আনুষ্ঠানিক খাতের সম্প্রসারণও ঘটাতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিকের পদোন্নতিও নিশ্চিত করতে হবে। যে চাকরিগুলোতে মজুরি বেশি কিন্তু বিদেশীরা কাজ করছেন সে স্থান স্থানীয় শ্রমিক দিয়ে পূরণে সংশ্লিষ্ট কাজে দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে। শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি বাড়াতে আনুষ্ঠানিক খাতে শ্রমিকের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। বাংলাদেশের শ্রমবাজারের বড় অংশ এখন অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত, যেখানে ন্যূনতম মজুরির কোনো অস্তিত্ব নেই। কোনো চুক্তিও নেই, তাদের অধিকার রক্ষায় সরকারের তদারকি প্রতিষ্ঠানও আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে ভূমিকা রাখতে পারে না।…

তত্ত্বতালাশ  আধুনিক অর্থসংক্রান্ত তত্ত্বের মিথ প্রসঙ্গে

তত্ত্বতালাশ আধুনিক অর্থসংক্রান্ত তত্ত্বের মিথ প্রসঙ্গে

অনেক লোক দাবি করছে যে কভিড-১৯ মহামারী প্রমাণ করেছে আধুনিক অর্থসংক্রান্ত তত্ত্বই সরকারগুলোর (এমএমটি) এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ। ধারণা বা অভিজ্ঞতা না থাকাদের জন্য এমএমটি অবশ্যই অতিমাত্রায় সূক্ষ্ম, জটিল, এমনকি বিজ্ঞানসম্মত মনে হতে পারে। এর প্রতিনিধিরা দাবি করেন যে জ্যোতির্বিজ্ঞানে কোপারনিকীয় বিপ্লবের…

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান সায়মার

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান সায়মার

জলবায়ু পরিবর্তন ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় সিভিএফ-কপ২৬ সহনশীলতা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ফোরামের (সিভিএফ) থিম্যাটিক দূত সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। গত সোমবার লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত সিভিএফের এক উচ্চ স্তরের সংলাপে তিনি এ আহ্বান জানান। বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য…

প্রস্তাব সমর্থন  ডিজিটাল বাংলাদেশে বাংলা ডিজিট সংস্কার

প্রস্তাব সমর্থন ডিজিটাল বাংলাদেশে বাংলা ডিজিট সংস্কার

ষাটের দশকের প্রথমার্ধে যারা প্রথম শ্রেণীতে পড়েছেন এবং আমার মতো যাদের শিক্ষার মাধ্যম ছিল বাংলা ভাষা, তাদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে ওঠার অনিবার্য শর্ত ছিল বাংলা ও ইংরেজির সঙ্গে গণিতেও পাস করতে হবে। গণিতের নিশ্চিত কয়েকটি প্রশ্নের একটি ছিল—অংক ও সংখ্যার তিনটি বা পাঁচটি…

যুবলীগের নতুন নেতৃত্ব: পরশের পরশ ছোঁয়ায় জেগে উঠুক কোটি তরুণ

যুবলীগের নতুন নেতৃত্ব: পরশের পরশ ছোঁয়ায় জেগে উঠুক কোটি তরুণ

“আমার চেষ্টা থাকবে যুব সমাজ যেনো আই হেটস পলিটিকস থেকে বেরিয়ে এসে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলে দেশের কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখে” এইতো সেদিনের কথা, ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সপ্তম কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশনে চেয়ারম্যান হিসেবে নাম ঘোষণার পর…