নাঙ্গলকোটে যুদ্ধাপরাধীর সন্তান বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি!

বিশেষ প্রতিনিধিঃ “শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড” নেপালিয়ানরা বলেছেন তোমরা আমাদের একটা শিক্ষিত মা দাও, আমরা তোমাদের একটা শিক্ষিত জাতি দেব। সেই মেরুদণ্ড গড়ার বেষ্টনী টা যদি হয় ক্ষমতার প্রলয়ে অনিয়ম দূর্নীতির আখড়া, তাহলে কেমন মেরুদণ্ড হবে তা আর বলার অবকাশ রাখে না। বর্তমান সমাজের অবক্ষয়ের যুগে যোগ্যরা পিছিয়ে গেছে, অযোগ্যরা সামনের কাতারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন প্রেক্ষাপট একটি জাতির জন্য হতে পারে ভয়ংকর রুপ।

সেই অযোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে আলোর পরিবর্তে অন্ধকারই চড়াবে।
আমাদের অনুসন্ধানে জনা যায় নাঙ্গলকোট উপজেলায় বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যলয়ে প্রভাব খাটিয়ে একক আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছেন উপজেলা পরিষদের শামসুদ্দিন কালু। তন্মধ্যে শাকতলি উচ্চ বিদ্যলয়, ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যলয়, দায়েমছাতি উচ্চ বিদ্যলয়, নাঙ্গলকোট এ আর সরকারি উচ্চ বিদ্যলয়, পুজকরা উচ্চ বিদ্যলয়, ঘোড়াময়দান উচ্চ বিদ্যলয়, চডিয়া বাজার সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা, শ্রীহাস্য নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা, মৌকরা দারুসুন্নত নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা, গোত্রশাল দাখিল মাদ্রাসাসহ বহু প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে আছেন।

এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- একজন ব্যক্তি দু’টো প্রতিষ্ঠানের বেশি দ্বায়িত্ব পালন করতে পারবে না। তাহলে আপনার দায়িত্বাধীন উপজেলায় শামসুদ্দিন কালু কিভাবে এতগুলো প্রতিষ্ঠানের দ্বায়িত্বে আছে? জবাবে কোন মন্তব্য না করে বলেন কতৃপক্ষকে আবেদন করলে আমরা পদক্ষেপ নিবো।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বরাদ্দ নিয়ে চলে নিজের পকেট ভরার উৎসব, কেন প্রতিবাদ করলে হতে হয় হয়রানির শিকার। দূর্নীতির মাধ্যমে চলে নিয়োগ বাণিজ্য। এসকল দূর্নীতি চলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে, রাঘববোয়াল যা বলবে তাই বাস্তবায়িত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *