চট্টগ্রামস্থ নাঙ্গলকোট আওয়ামী ফোরামের নিয়ে বিতর্ক- পদত্যাগের হিড়িক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ বিতর্কিত লোক দিয়ে চট্রগ্রামস্থ নাঙ্গলকোট আওয়ামী ফোরাম গঠন করায় সংগঠন থেকে গণহারে পদত্যাগ শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, নাঙ্গলকোটের কতিপয় নেতৃত্ব যারা আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছে, তারা একত্রিত হয়ে আওয়ামী ফোরাম গঠন করে।

এ বিতর্কিত ফোরামের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা দেন অধ্যাপক রুহুল আমিন ও সেক্রেটারি হিসেবে তেলের ভান্ড নামে পরিচিত চাটুকার বটতলী ইউনিয়নের নারায়ণ বাতুয়ার এম জি রহমান গোলাপ।

সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি এর আগে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে কোনো কাজ করতে পারেনি। আর সেক্রেটারি মাননীয় অর্থ মন্ত্রীর নামে বিক্রি করে ও মন্ত্রীর এপিএস কে এম রতন সিংহকে ব্যবহার করে চাকরি, প্রমোশন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বানানোর আশ্বাস দিয়ে নিয়মিত প্রতারণা করে যাচ্ছে । বর্তমানে অধ্যাপক রুহুল আমিনকে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বানাবে আশ্বাস দিয়ে তাঁকে প্রথম ধাপে ফোরামের সভাপতি করে।

এ নেতৃত্বের প্রতি আরো অভিযোগ, তারা একটা সুশৃঙ্খল সংগঠন চট্রগ্রামস্থ নাঙ্গলকোট সমিতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। সমিতির নামে ব্যবসা করা জামায়াত নেতা শাহাদাতকে দিয়ে মামলা সৃষ্টি করে সমিতির কার্যক্রমকে স্থবির করে রেখেছে। এমজি রহমান গোলাপ আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড অর্থাৎ মুজিব কোট গায়ে ঝুলে নাঙ্গলকোটের আওয়ামী লীগ নেতা ও অর্থ মন্ত্রীর এপিএস রতনকে সহ জামায়াত নেতা সমিতির সেক্রেটারির পদ আটকিয়ে রাখা শাহাদাতের বাসায় হাজির করে । সেখানে শাহাদাতের সুন্দরী স্ত্রীর হাতের রান্না করা বিভিন্ন রসালো সুস্বাদু খাবার খাবিয়ে তাদেরকে খুশি রাখে, ফলে জামায়াত লোক হয়েও আওয়ামী লীগের লম্পট নেতাদের ভক্ত বনে যায়।
অভিযোগে আরো জানান যায়, নাঙ্গলকোট উপজেলার প্রায় দুই থেকে তিনি হাজার মানুষ চট্রগ্রাম বসবাস করছেন । এদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। বেশিরভাগ মানুষের মতামতকে প্রাধান্যের সুযোগ না দিয়ে মনগড়া বিতর্কিতদের নিয়ে নেতৃত্ব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নহে। ফলে তারা তাদের নামে দেখে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছে । তারা অচিরেই বড় সমাবেশ করে ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নিবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *